Category Archives: Furniture

বিখ্যাত রাজা-বাদশাহদের ফার্নিচার-২

পূর্বের অংশ: বিখ্যাত রাজা-বাদশাহদের ফার্নিচার-১ রাজা বাদশাহরাও আমাদের মতই রক্তে মাংসে গড়া মানুষ। পৃথিবী সৃষ্টির পর থেকেই কয়েকজন রাজা দোর্দণ্ড প্রতাপে রাজত্ব করেছেন। তারা এতটাই পরাক্রমশালী ছিল যে তাদের নাম শুনলে মানুষ ভয়ে কাঁপত। কিন্তু যতই প্রভাব প্রতিপত্তি থাকুক না কেন তাদেরকেও ফার্নিচার ব্যবহার করতে হয়েছে। রাজ সিংহাসনও ছিল একটি ফার্নিচার। কিন্তু যারা প্রবল প্রতাপে বিশ্ব শাসন করেছেন কেমন ছিল তাদের ফার্নিচার? তারা কোন কোন ফার্নিচার ব্যবহার করত? আপনার মনে এমন প্রশ্নের উদ্রেক হতেই .

গৃহ সজ্জায় কিছু নতুন মডেলের ফার্নিচার

কিছু নতুন মডেলের ফার্নিচার: গৃহ সজ্জার জন্য ফার্নিচার অতি প্রয়োজনীয় জিনিষ। ফার্নিচার ঘরের সৌন্দর্যকে বাড়িয়ে দেয়। ফার্নিচার ছাড়া আপনি অচল। এই যে রাতে ঘুমান, খাওয়া দাওয়া করেন, পড়াশুনা করেন সব কিছুতেই ফার্নিচারের দ্বারস্থ হতে হয়। এমনকি আপনার জামা কাপড়, শো-পিস সাজিয়ে রাখেন তার জন্যও ফার্নিচারের প্রয়োজন হয়। ফার্নিচার আমাদের জীবনের অংশ। ঘর সাজাতে অনেক রকম ফার্নিচার লাগে। কিন্তু দিন দিন আমাদের ফ্ল্যাটের আয়তন কমে যাচ্ছে। বাসা ভাড়া বৃদ্ধির কারণে অনেকের পক্ষেই ২/৩ রুমের বেশি .

এমডিএফ ফার্ণিচার

এমডিএফ বোর্ডের ফার্নিচার প্রস্তর যুগে শুধু পাথর দিয়ে ফার্নিচার তৈরি করা হত। এরপর আমরা কাঠ দিয়ে ফার্নিচার বানানো শিখলাম। সময়ের পরিক্রমায় কাঠের ফার্নিচারের সাথে যুক্ত হল স্টিল, বেতের ফার্নিচার। সময় যত অতিক্রান্ত হয়েছে ফার্নিচার তত আধুনিক হয়েছে। এক সময় প্লাস্টিকের তৈরি ফার্নিচারও বাজারে চলে আসল। সমান তালে পাল্লা দিয়ে চলল কাঠের ফার্নিচার, স্টিলের ফার্নিচার, প্লাস্টিকের ফার্নিচার। এরই মাঝে এসে হাজির হল প্রসেস করা কাঠের বোর্ডের ফার্নিচার। দেখতে বেশ স্মুথ আর নিখুঁত ফিনিশিং এর কারণে .

ফার্ণিচার দিয়ে ঘর সাজানো

কিভাবে ফার্নিচার দিয়ে ঘর সাজাবেন: একজন মানুষের রুচি কেমন সেটা বুঝা যায় গৃহ অভ্যন্তরের সাজ-সজ্জা দেখে। বাসায় ফার্নিচার সাজাতে কিছু নিয়ম কানুন মানতে হয়। ডাইনিং এর সাথে যেমন সোফা মানায় না তেমনি খাটের সাথে চেয়ারও মানায় না। সুন্দর করে ফার্নিচার বিন্যাস করতে পারলে বাসায় সৌন্দর্য অনেকগুণ বেড়ে যায়। ফার্নিচারের মাধ্যমে সহজেই আপনার ব্যক্তিত্বকে অন্যের মাঝে ফুটিয়ে তুলতে পারবেন। ফার্নিচারের সাথে দেওয়ালের শো-পিসও সৌন্দর্য বর্ধনে ভূমিকা রাখে। এক ফার্নিচারের সাথে আরেক ফার্নিচারের সঠিক কম্বিনেশন অনেকেই .

ফার্ণিচার তৈরির ইতিহাস

ফার্ণিচার
কখন কোন ফার্নিচার আবিষ্কৃত হয় আমরা বর্তমানে যে আধুনিক ফার্নিচার ব্যবহার করছি সেগুলো কিন্তু একদিনে আসে নি। এর পিছনে রয়েছে বহু ত্যাগ-তিতিক্ষা আর সংগ্রাম। অনেক কারিগর ফার্নিচার ডিজাইনে নিজেদের সময় ব্যয় করেছেন। তাদের এত গবেষণার ফলেই আজ আমরা আরামদায়ক আসবাবপত্র ব্যবহার করতে পারছি। সব ফার্নিচার কিন্তু একই সময়ে আবিষ্কার হয় নি। নানান সময়ে একের পর এক ফার্নিচারের আবিষ্কার আমাদের জীবন যাত্রাকে আরও সহজ করে দিয়েছে। এক সময় আমরা কাঠের চৌকিতে ঘুমাতাম। কিন্তু তোশক/জাজিমের কল্যাণে .

ফার্নিচারের ব্যবহারের ইতিহাস

আমরা প্রতিদিন নিত্য প্রয়োজনে ফার্নিচার ব্যবহার করে থাকি। ফার্নিচার ছাড়া আমরা এক প্রকার অচল বলা যায়। ঘুমাতে গেলে খাটের প্রয়োজন, খেতে গেলে ডাইনিং টেবিলের প্রয়োজন, বসতে গেলে চেয়ার-সোফার প্রয়োজন, পড়তে গেলে রিডিং টেবিল প্রয়োজন, সাজতে গেলে ড্রেসিং টেবিল প্রয়োজন। বাসার ভিতর আমাদেরকে প্রতিটি কাজেই ফার্নিচারের মুখাপেক্ষী হতে হয়। ফার্নিচার যেমন ঘরের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে তেমনি আমাদের প্রয়োজনও মেটায়। কিন্তু কখনও কি ভেবে দেখেছেন কী করে এলো আজকের ফার্নিচার? এর শুরুটা কোথায় হয়েছিল? আদিম যুগের .